ঢাকা , রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫ , ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
ভাগাড়সহ কোথাও ময়লা পোড়ানো যাবে নাÑ পরিবেশ উপদেষ্টা স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরছে মানুষ চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের অর্থনীতি বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেইÑ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী আন্দোলনে বিএনপিসহ সমমনারা আলোচনার মাধ্যমে ইতিবাচক সমাধান হবে জোটের মধ্যে ফাটল ধরেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ বিমানবন্দরে সিকিউরিটি বিভাগে ছন্দপতন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মানুষকে স্বাবলম্বী করবে জামায়াত পৃথক সচিবালয় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সহায়ক হবে- প্রধান বিচারপতি নতুন পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে -সিএমজিকে প্রধান উপদেষ্টা চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যযুদ্ধে ফেঁসে যাচ্ছে অ্যাপল বগুড়ার ৭টি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা জরুরি আলো জ্বলছিল অ্যাম্বুলেন্সে, তবুও চলে গুলি ভাঙা চোয়াল নিয়ে ৪০ কি.মি. বাস চালিয়ে থানায় চালক পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকা ডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে বিনিয়োগ বাড়ানোই মূল চ্যালেঞ্জ শরীয়তপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ লাঙ্গলবন্দে মহাঅষ্টমীর স্নানোৎসবে পুণ্যার্থীদের ঢল আপনার প্রতি অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

নিহত ৮৭৫, আহত ৩০ হাজারেরও বেশি : এইচআরএসএস

  • আপলোড সময় : ১৫-০৯-২০২৪ ১২:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০৯-২০২৪ ১২:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন
নিহত ৮৭৫, আহত ৩০ হাজারেরও বেশি : এইচআরএসএস
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ১৬ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮৭৫ জন নিহত এবং ৩০ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)’। গত শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইসব তথ্য তুলে ধরে এইচআরএসএস। ১২টি জাতীয় দৈনিক, এইচআরএসএসের তথ্য অনুসন্ধানী ইউনিট ও সারা দেশ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, নিহতদের মধ্যে ৭৭ শতাংশই গুলিতে মারা গেছেন। এ ছাড়া অভ্যুত্থানে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মোট ৭৭২ জনের মৃত্যুর ধরন সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৯৯ জন বা ৭৭ শতাংশ গুলিতে নিহত হয়েছেন। ৬১ জন (৮ শতাংশ) অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। ৮৫ জনকে (১১ শতাংশ) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অন্যান্য কারণে মারা গেছেন ২৭ জন (৪ শতাংশ)। নিহত ব্যক্তিদের একাংশের বয়স, পেশা, মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণ করেছে এইচআরএসএস। সংগঠনটির জানিয়েছে, ১৬ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত ৩২৭ জন এবং ৪ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (অনেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে মারা যান) ৫৪৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের মৃত্যুর হার ৫৩ শতাংশ। আর ৩০ বছরের মধ্যে বয়স ধরলে, নিহতের হার দাঁড়ায় ৭০ শতাংশে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী, এ হার ৫২ শতাংশ।
সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছেন গুলিতে এবং পুলিশের হামলায়। এইচআরএসএস আরও জানিয়েছে, ছাত্রলীগকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য আদেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, আনসার, সোয়াট, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে গুলির বেআইনি ব্যবহার, কাঁদানে গ্যাসের শেল, এ কে অ্যাসল্ট রাইফেলের মতো প্রাণঘাতি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স